একটা প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে যত কথাই বলা হোক না কেন, আসল পরীক্ষা হয় মাঠে – মানে যারা প্রতিদিন ব্যবহার করছেন তাদের কাছে। k11777 যখন বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করেছিল, তখন থেকেই আমরা চেষ্টা করে আসছিলাম যে শুধু একটা বেটিং প্ল্যাটফর্ম না হয়ে, এটা যেন একটা সত্যিকারের বিনোদনের জায়গা হয়। সেই লক্ষ্যে কতটুকু পৌঁছানো গেছে সেটা বোঝার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো মানুষের নিজেদের মুখে শোনা।
এই পেজে যে কেস স্টাডিগুলো আছে সেগুলো বানোয়াট নয়। বরিশালের চা-বাগান এলাকার একজন তরুণ থেকে শুরু করে সুন্দরবনের কাছে বসবাসকারী একজন মধ্যবয়সী ব্যবসায়ী – সবাই তাদের নিজস্ব অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। কেউ এসেছেন বিনোদনের জন্য, কেউ এসেছেন বাড়তি আয়ের সুযোগ খুঁজতে, আবার কেউ এসেছেন শুধু ক্রিকেট ম্যাচ আরও মজা করে দেখার জন্য।
k11777-এর এই কেস স্টাডিগুলো পড়লে বোঝা যাবে যে বাংলাদেশের মানুষ এই প্ল্যাটফর্মকে কীভাবে নিজের জীবনের অংশ করে নিয়েছেন। প্রতিটি গল্পের পেছনে আছে একটা মানুষের ব্যক্তিগত যাত্রা, তাদের শেখার অভিজ্ঞতা এবং k11777-এর সাথে তাদের সম্পর্ক।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অনলাইন গেমিং
কয়েক বছর আগেও বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং বলতে মানুষ মূলত মোবাইল গেম বুঝত। কিন্তু স্মার্টফোনের বিস্তার ও মোবাইল ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার সাথে সাথে অনলাইন বেটিং ও স্পোর্টস গেমিং দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। k11777 ঠিক এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়েছে – বাংলা ভাষায়, বাংলাদেশি পেমেন্ট পদ্ধতিতে এবং বাংলাদেশের মানুষের পরিচিত খেলাধুলাকে কেন্দ্রে রেখে একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে।
ঢাকার বাইরে মফস্বল শহরগুলোতেও k11777-এর ব্যবহারকারী সংখ্যা উল্লেখযোগ ্য হারে বাড়ছে। বগুড়া, বরিশাল, রাজশাহী, সিলেট – এই শহরগুলো থেকেও প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ k11777-এ লগইন করছেন। এই ব্যাপকতাটাই আমাদের কেস স্টাডির সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।